সাক্ষাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।’ ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য ফ্রান্স বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠনের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
এসময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।’ বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয় এবং তারা কখনো স্বৈরাচারী শাসনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্পিকার আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ সব সময় গণতন্ত্রের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা সমুন্নত রেখেছে।’
সাক্ষাতে মহান মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের নাগরিক আন্দ্রে মারলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন স্পিকার। একইসঙ্গে তিনি তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
আরও পড়ুন:
ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদল এসময় ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় কমিটি গঠন এবং মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি বাংলাদেশে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বাড়াতে দেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান ও খননের ওপরও জোর দেন তারা।
সাক্ষাৎকালে ফ্রান্সের সিনেটের পক্ষ থেকে স্পিকারসহ বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য, ফরাসি দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





