নেইমারের জাতীয় দলে ফেরা এবং আনচেলোত্তির পরিকল্পনা (Neymar Brazil Return Ancelotti Plan)
গোলডটকম (Goal.com) এবং সিএনএন স্পোর্টসের (CNN Sports) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্লো আনচেলোত্তি নেইমারের খেলার ক্ষমতা এবং দক্ষতা নিয়ে উচ্চ ধারণা পোষণ করেন। তবে নেইমার নিজেই জাতীয় দলের হয়ে আর না খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করায় তাকে বাদ দিয়েই ২০৩০ বিশ্বকাপ দল (Brazil World Cup 2030 Squad) তৈরির কৌশল গ্রহণ করতে হয়েছে কোচকে।
আনচেলোত্তির মতে, নেইমারের মতো বিশ্বমানের ফুটবলারের জায়গা হুট করে পূরণ করা অসম্ভব। তবে কোনো একজন নির্দিষ্ট তারকার ওপর নির্ভর না করে দলগত ফুটবল (Team Football Strategy) গড়ে তোলাই এখন ব্রাজিলের প্রধান অগ্রাধিকার।
আরও পড়ুন:
নতুন প্রজন্ম ও তরুণ ফুটবলারদের সুযোগ (Brazil Young Footballers World Cup 2030)
ব্রাজিলের ফুটবল পরিচালক রদ্রিগো কায়তানোর (Rodrigo Caetano) সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় দল ঢেলে সাজাচ্ছেন আনচেলোত্তি। এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রথীদের:
- ২০০৪-২০০৬ প্রজন্মে অগ্রাধিকার: ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া উদীয়মান ফুটবলারদের (Emerging Brazilian Players) মূল কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
- ২০০৮ সালের প্রতিভাদের ওপর নজর: ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া বিষ্ময়কর তরুণ ফুটবলারদেরও (Brazilian Football Prodigies) স্কাউটিংয়ের আওতায় রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে নীতি (Senior Players Selection in Brazil Team)
তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হলেও ৩৬ বা ৩৭ বছর বয়সী অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জন্য জাতীয় দলের দরজা একবারে বন্ধ হয়ে যায়নি। আনচেলোত্তি স্পষ্ট করেছেন, কোনো সিনিয়র খেলোয়াড় যদি নিজের সর্বোচ্চ ফর্মে থাকেন, তবে তাকে বিবেচিত করা হতে পারে। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চের প্রস্তুতির জন্য তরুণ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করাই আনচেলোত্তির দলীয় দর্শন।
২০৩০ বিশ্বকাপে নেইমার থাকবেন কি না, স্পষ্ট করলেন আনচেলত্তি
একনজরে কার্লো আনচেলোত্তির ব্রাজিল পুনর্গঠন পরিকল্পনা ও নেইমারের ভবিষ্যৎ
বিষয় / ক্ষেত্র
কোচ ও দলের সিদ্ধান্ত
মূল বিবরণ ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
২০৩০ বিশ্বকাপে নেইমার
পরিকল্পনায় নেই
নেইমার নিজেই জাতীয় দলে না ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করায় তাকে ছাড়াই দল গড়ার কাজ শুরু।
দলের মূল কৌশল
দলগত ফুটবল ও ভারসাম্য
একজন তারকার ওপর নির্ভর না করে পুরো টিমকে নতুনভাবে গঠন করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
তরুণ খেলোয়াড়দের প্রাধান্য
২০০৪-২০০৬ জন্মবর্ষের প্রজন্ম
২০০৪-২০০৬ সালের তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং ২০০৮ সালের প্রতিভা নজরে রয়েছে।
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জায়গা
দরজা পুরোপুরি বন্ধ নয়
৩৬-৩৭ বছর বয়সেও কেউ সেরা ফর্মে থাকলে তাকে বিবেচনায় রাখা হতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
২০৩০ বিশ্বকাপ জয়
নতুন প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সাথে খাপ খাইয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড তৈরি করা।
আরও পড়ুন:

 found inside the Brazilian woman-320x167.webp)


