নিহত খালেদা আক্তার মুরাদনগর দড়ানী পাড়ার জসিম উদ্দিনের মেয়ে এবং মঞ্জুরুল আলম টিটু বাচ্চু মিয়ার ছেলে। সম্পর্কে তারা ফুফু-ভাতিজা।
স্থানীয়রা জানান, পৈত্রিক জমি সংক্রান্ত বিষয়ে খালেদা আক্তারের সঙ্গে তার ভাই আবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। সোমবার বিকেলে খালেদা বাবার বাড়িতে এসে ভাইয়ের কাছে সম্পত্তি হিস্যা দাবি করলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আবু মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বোনকে কোপাতে থাকে। তা দেখে খালেদার আরেক ভাই বাচ্চু মিয়ার ছেলে টিটু ফুফুকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাকেও কোপাতে থাকেন আবু মিয়া।
আরও পড়ুন:
পরে দু’জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গৌরীপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘তাদেরকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। দুইজনের মরদেহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।’
মুরাদনগর থানার ওসি মাশরুরুল হক বলেন, ‘দুইজন নিহতের ঘটনা শুনেই ঘটনাস্থলেই রওনা দিয়েছি। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছে না।’




