আজ (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আলী মনসুর এ দণ্ড প্রদান করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে আরও ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত আসামি পলাতক ছিলেন, ফলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল ইসলাম ওরফে রুবেল রানা ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার খড়িবাড়ি বদেশ্বরী গ্রামের নান্দু ইসলামের ছেলে।
যানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর বিকেলে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ব্যাটারিচালিত অটো রিক্সায় তুলে নিয়ে অপহরণ করেন। এরপর ওই স্কুলছাত্রীকে অজ্ঞাত একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আসামি রুবেল ইসলাম তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটো রিক্সায় করে ওই স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আসামি রুবলে ইসলাম।
আরও পড়ুন:
স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় রুবেল ইসলাম ওরফে রুবেল রানাকে আসামি করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল বলেন, ‘দীর্ঘদিন স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলা দায়েরের সাত বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত এই মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘দণ্ডিত আসামির বিদ্যমান সম্পদ দিয়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য এক লক্ষ টাকা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর উভর প্রকার সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করার মাধ্যমে অর্থ অত্র ট্রাইব্যুনালে জমা দিতে হবে এবং পরবর্তীতে জমাকৃত অর্থ ভিকটিমকে প্রদান করা হবে।’




