ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী বাংলাদেশ-নেপাল

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূত
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূত | ছবি: সংগৃহীত
0

ক্রিকেট ও ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। এসময় দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতকালে নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সময়মতো সহযোগিতা করায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুদৃঢ় রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও ক্রীড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’

নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশেষ করে সাম্প্রতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আমাদের জনগণের জন্য অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশকে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের অনুরোধ করছি। আমাদের দল বাংলাদেশ সফরে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত। একইভাবে বাংলাদেশ দলকে নেপালে স্বাগত জানাতেও আমরা প্রস্তুত।’

নেপালের প্রস্তাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা ক্রীড়া কূটনীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং বিভিন্ন খেলায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে কাজ করছি।’

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি দেওয়ার জন্য নেপালের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন তিনি। চিঠি পাওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে, নেপালের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেন আমিনুল হক। বিশেষ করে পর্বতারোহণসহ সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের সহযোগিতা ও সুযোগ দেওয়ার জন্য নেপালকে আহ্বান জানান তিনি।

ইএ