প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নদীর পাড়ের সরকারি খাসজমি দখল করে বিভিন্ন সময়ে এসব পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি বালুঘাট চালু থাকার সময় নির্মাণ করা হয়।
পরে বালুঘাটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে স্থাপনাগুলো দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরিত্যক্ত এসব স্থাপনার কয়েকটি মাদকসেবীদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছিলো। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও মাদকের আড্ডা বন্ধের লক্ষ্যে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও মাদকের আড্ডা বন্ধের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়েছে। প্রায় সাতটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। সরকারি খাসজমি রক্ষায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’





