ল্যাভরভ বলেন, ‘লিপজিগ বিমানবন্দরে তারা একটি ড্রোন খুঁজে পেয়েই বলে দিল সেটি রুশ ড্রোন। কেউ এর কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। কঠোরভাবে বলতে গেলে, এটি একটি প্রকৃত যুদ্ধের সূচনা।’ তিনি উল্লেখ করেন, বন শহরে রাশিয়ার কনস্যুলেট জেনারেল এবং বার্লিনের রাশিয়ান হাউস সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করার মতো জার্মানির পদক্ষেপগুলো তাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। জার্মানরা আবারও যুদ্ধ চাইছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে গত আগস্টের শুরুতে লিপজিগ/হালে বিমানবন্দরে ইউক্রেনের একটি পণ্যবাহী উড়োজাহাজের কাছে বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন পাওয়া যায়। সেখানে কোনো বিস্ফোরণ ঘটেনি এবং পরে আরও দুটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়।
প্রায় চার সপ্তাহ তদন্ত শেষে চলতি সেপ্টেম্বরের শুরুতে জার্মানি এ ঘটনার জন্য সরাসরি রুশ গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়ী করে। ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভকে সমর্থন দেয়ায় রাশিয়া জার্মানির মাটিতে গোপন নাশকতা ও অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে দাবি বার্লিনের।





