আজ (রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের এই দূরদর্শী ভাবনার কথা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:
কেন পৃথক পে-স্কেলের পরিকল্পনা? (Why Separate Pay Scale for Teachers)
দীর্ঘ ১১ বছর পর দেশে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হতে যাচ্ছে (9th National Pay Scale Update 2026)। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় শিক্ষকদের প্রত্যাশিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
- মূল্যস্ফীতির প্রভাব: হঠাৎ করে মূল্যস্ফীতির (Inflation Adjustment in Salary) সঙ্গে সমন্বয় করা প্রশাসনিকভাবে জটিল হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীসহ জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
- বিচার বিভাগের মতো স্বতন্ত্র স্কেল: জুডিশিয়াল পে-স্কেলের (Judicial Pay Scale Model) আদলে শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সময়স্বল্পতার কারণে এখনই এটি বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও, রাজনৈতিক সরকারের লক্ষ্য হলো ধাপে ধাপে এই কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাওয়া।
আরও পড়ুন:
বকেয়া অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্ট সমাধান (Teachers Retirement Benefit & Welfare Trust Clearance)
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের অবসরকালীন ভোগান্তি অবসানে গৃহীত যুগান্তকারী পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন (Teacher Retirement Benefit Payment BD):
- কন্ট্রিবিউশনের পাওনা পরিশোধ: ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষকদের বকেয়া নিজস্ব কন্ট্রিবিউশনের সম্পূর্ণ অংশ ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে (Teacher Provident Fund Arrears Cleaned)।
- সরকারি অনুদান সমন্বয়: সরকারের পক্ষ থেকে বকেয়া থাকা বাকি অংশের অর্থ ক্রমান্বয়ে পরিশোধের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে।
- স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস: আগামী বাজেটগুলোতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে শিক্ষকদের সকল আর্থিক বকেয়া সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ভিত্তিক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেকসহ বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:




