দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি চলছিল যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে। লক্ষ্য ছিল অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান পর্যায়ে ভালো কিছু করা। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, বরং ক্যাম্প চলাকালীনই একের পর এক বিতর্কে জড়ান হেড কোচ জেরার্ড জোনস।
যে দলটি ছিল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন, তারাই এশিয়ান কাপ বাছাই খেলেছে ছন্নছাড়া ফুটবল। উজবেকিস্তান এবং সিরিয়ার কাছে হারের দিনও স্পষ্ট ছিল জেরার্ড জোনস আর আতিকুর রহমান মিশুর দ্বন্দ্ব। স্বাভাবিকভাবেই মূল প্রতিযোগিতা শেষের আগেই এলো বরখাস্তের সিদ্ধান্ত।
বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘আমাদের যে ফুটবল ফেডারেশনের সম্মানিত সভাপতি এবং এই আমাদের ডেভেলপমেন্ট কমিটির যে চেয়ারম্যান, এই জাহিদ ভাই, উনারা হয়তো সেটা চিন্তা-ভাবনা করেছেন, যে না কোচের হয়তো কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট না হয়ে উনারা অব্যাহতি দিয়ে মিশু ভাইকে দায়িত্বটা দিয়েছেন।’
তবে কোচকে সরানোর আগে পুরো বিষয়টি নিয়ে আসছে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা। ম্যানেজারের কাছ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগও পায়নি কমিটি। তারপরও শুধু ফলাফলের বিবেচনায় কঠিন সিদ্ধান্ত।
আরও পড়ুন:
মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘কোচের কর্মকাণ্ডগুলো আসলে আমাদের যে ম্যানেজার আছে, ম্যানেজার যে রিপোর্টটা দিবে নেক্সট মিটিংয়ে, আমাদের বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা হবে এবং আমাদের যে ডেভেলপমেন্ট কমিটি আছে, সেই ডেভেলপমেন্ট কমিটিতে আমরা ম্যানেজারের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টটা পাওয়ার পরে আমরা আরও বিস্তারিত ক্লিয়ার হতে পারবো।’
অব্যাহতি সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তী কোচের ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত নয়। টিম দেশে ফেরার পর নেয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। সঙ্গে মার্ক কক্স বা জেরার্ড জোনসের মতো কোচ নিয়োগ না দেয়া নিয়েও আভাস দিলেন বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য।
মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘এখন আমাদের আর ভবিষ্যতে আর ভুল হবে না। কোয়ালিফিকেশন দেখেই নিয়েছি। এখন কারও সঙ্গে তো আমরা ব্যক্তিগতভাবে চলাফেরা করি নাই। এখন কারো যদি ব্যক্তিগত অ্যাটিটিউড যদি খারাপ হয়, সেটা তো আর আমার জানার কথা না।’
জেরার্ড জোনসকে বরখাস্ত করলেও আর্থিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে কত টাকা দিতে হবে, সেটিও এখনো নির্ধারিত হয়নি। সবকিছুই নির্ভর করছে বোর্ড মিটিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।





