এক দশক পর মিশর সফরে গিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চার দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন চীনা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক সংলাপ জোরদার ও বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার মাধ্যমে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’ পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিন সংকটকে উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী সমাধান আসবে না। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে মত দেন।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নতুন সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইরানের তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি চীনে যায়। সম্প্রতি তেহরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে কেউ নয়।’
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকির জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা কোনো সমাধান আনতে পারে না এবং বেইজিং তার বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে। এছাড়া ইরানের সঙ্গে লেনদেনের অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিচালিত মিশরের ব্যাংক মিশরের ছয়টি শাখার ওপর লেনদেনে কড়াকড়ির প্রস্তাব করেছে ওয়াশিংটন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অবকাঠামো, যোগাযোগ, সবুজ জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সংক্রান্ত ২০টিরও বেশি সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৮০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।





