গত ফেব্রুয়ারিতে মাঠে মাঠে আলু তোলার কৃষকের যে আনন্দ, তা এখন অনেকটাই মলিন। আলু ব্যবসায়ীদের দিন কাটছে হতাশায়। দাম নেই আলুর। হিমাগারে জাতভেদে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ২২ টাকা দরে। অথচ সংরক্ষণ খরচসহ কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের খরচ হয়েছে ২২ থেকে ২৭ টাকা। সংরক্ষণের পর কেজিতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকা। এ অবস্থায় আলু রপ্তানির উপর জোর দিচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, তারা নায্যদামে আলু বিক্রি করতে পারছে না। গুদামে পচে যাচ্ছে আলু।
প্রতিটি হিমাগারে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। হিমাগারগুলি থেকে আলু উত্তোলনের পর বাছাই এবং বস্তা করাসহ সার্বিক সহযোগিতা করেন বেশীর ভাগ নারী। এবার তাদের আর কাজ নেই।
আরও পড়ুন:
শ্রমিকরা জানান, তারা কাজ পাচ্ছে না। আর কাজ পেলেও মজুরি পাচ্ছেন না তারা।
আলুর কম মূল্যে কৃষকরা লোকসান গুনেছেন। গতবারেও লোকসান দিয়েছেন। তাই এ কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ রপ্তানি উপযোগী আলু চাষ করে রপ্তানি করতে হবে। সেই সঙ্গে আলু জাতীয় খাদ্য পণ্য তৈরিতে প্রক্রিয়াজাত করনের ওপর গুরুত্ব দেয়ার।
বগুড়ার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দিন ফিরোজ বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি আলু কীভাবে রপ্তানি করা যায়। সঠিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সঠিক মাত্রার সার, স্প্রে প্রয়োগ করে আমরা বেশি করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারি।’
বগুড়ায় এবার ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে ১৩ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে। জেলার ৫১টি হিমাগারে কোল্ড স্টোরেজে এবার প্রায় সাড়ে ৫ লাখ ৩ হাজার ৫২০ টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।




