জামায়াত আমির বলেন, সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজটি বর্তমানে অত্যন্ত অবহেলিত। প্রকল্পের আওতায় থাকা শিক্ষক-চিকিৎসকদের নিয়মিত সম্মানী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ যৌক্তিক দাবিগুলো সংসদে তুলে ধরা হবে।
এসময় শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের নানা সংকট দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসামগ্রী উপহার দেন তিনি। এসময় শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ভবন সংকট, কর্মস্থলের সীমাবদ্ধতা, নিয়মিত সম্মানী না পাওয়া এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, তুলনামূলকভাবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সাশ্রয়ী এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। তাই এই চিকিৎসাপদ্ধতির উন্নয়ন ও প্রসারে আরও গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।





