ন্যাশভিলের ভ্যান্ডারবিল্ট-ইংগ্রাম ক্যানসার সেন্টারে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি টেনেসির দরিদ্র পরিবারে ডলির জন্ম। কৈশোরেই তার সংগীত জীবন শুরু হয়, মাত্র ৬ বছর বয়সেই প্রথম গান লেখেন তিনি। ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত তার প্রথম অ্যালবাম ‘হ্যালো, আই অ্যাম ডলি’ তাকে পরিচিতি এনে দেয়।
এরপর, ‘আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ’, ‘কোট অব মেনি কালারস’, ‘জোলিন’ ও ‘নাইন টু ফাইভ’-এর মতো গান তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। সাত দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে গান, অভিনয় ও সমাজসেবার মাধ্যমে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলে নেন ডলি পারটন। তার মৃত্যুতে বিশ্ব সঙ্গীতাঙ্গণ ও হলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।





