এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের সঙ্গে খেলে, এটি বাংলাদেশের জন্য আমি মনে করি অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট। হয়তোবা বাংলাদেশ-ব্রাজিলের সঙ্গে খেলবে, আমাদের বাংলাদেশের মানুষের যে এক্সপেক্টেশন, সেটা হয়তোবা একটা স্বপ্ন পূরণ হবে।’
ভারত কিংবা বাংলাদেশ- যাদের বিপক্ষেই হোক, লাতিন জায়ান্টদের ম্যাচ আয়োজন করতে বড় অংকের অর্থ ব্যয় করতে হবে বাফুফেকে। সেটি নিয়ে চিন্তার ভাঁজ বাফুফে কর্তাদের কপালে। তবে সবকিছু ঠিকঠাক হলে ফেডারেশনের পাশে দাঁড়াবে সরকার বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এসময় আরও বলেন, ‘এটি নিয়ে এখনো বিশদভাবে আলোচনা হয়নি এবং আদৌ ব্রাজিল টিম বাংলাদেশে আসবে কি না, সে বিষয়টি নিয়েও এখন পর্যন্ত একচুয়াল কোনো ক্লিয়ার কোনো মেসেজ নেই। বাফুফে যেহেতু কথা বলেছে, বাফুফের সভাপতির সঙ্গে কথা হয়েছে—তারা যদি বিভিন্ন সাইট থেকে স্পন্সরশিপ এনে যদি পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে হয়তোবা আমরা আমাদের পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।’





