ঢাকা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের শহর যশোরে প্রস্তুত হচ্ছেন এক ঝাঁক তরুণ ফুটবলার। বরাবরের মতোই বয়সভিত্তিক দলের ক্যাম্প যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে। তবে বাদবাকি যেকোনো সময়ের চেয়ে এবারের আগ্রহের কারণ নতুন বিদেশী কোচ জেরার্ড জোনস এবং বংশোদ্ভূত তারকা অ্যাডাম আব্বাস।
৩১ অক্টোবর হতে শুরু যাওয়া অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের ক্যাম্পে আছেন ২৬ ফুটবলার। সবার শেষেই যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড একাডেমির তারকা অ্যাডাম আব্বাস, বর্তমানে খেলছেন বার্নলির বয়সভিত্তিক দলে। তরুণ এসব ফুটবলারদের নিয়েই জেরার্ড জোনস প্রতিনিয়ত চালাচ্ছেন নতুন পরীক্ষা।
কোচ জেরার্ড জোনস বলেন, ‘আমরা অবিশ্বাস্য একটা প্রি-সিজন কাটিয়েছি। আমরা অনেক গুলো খেলোয়াড়কে মূল্যায়ন করতে পেরেছি। আমরা শুধু এই টুর্নামেন্ট না ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
দলে নতুন যোগ হওয়া খেলোয়াড় অ্যাডাম আব্বাসকে নিয়েও উচ্ছ্বাস কোচের। তরুণ আব্বাসকে একজন দক্ষ খেলোয়াড় ও গোলদাতা হিসেবে তৈরি করার বিশেষ পরিকল্পনা আছে তার।
কোচ জেরার্ড জোনস আরও বলেন, ‘আমি এমন জায়গায় তাকে খেলাতে চাই যেখান থেকে তার সেরাটা আমরা বের করে আনতে পারব। কীভাবে সে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে পারবে, তাদের ধ্বংস করতে পারবে সেটাই আমাদের মূল ভাবনা, এখন। আমি এখনই তাকে নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। কেননা তাহলে প্রতিপক্ষ দল এগুলো দেখে তাকে নিয়ে আলাদাভাবে পরিকল্পনা করে আসবে। কিন্তু তার জন্য আমাদের দারুণ পরিকল্পনা আছে, যেন সে আমাদের জন্য সেরা গোল স্কোরিং অপশন হতে পারে।’
অন্যদিকে অ্যাডাম আব্বাস জানালেন, বাংলাদেশের হয়ে ফুটবলের মাঠে নামতে পেরে তিনি গর্বিত। অনুপ্রেরণার ক্ষেত্রে হামজা চৌধুরীর নামটিই সবার আগে উচ্চারণ করলেন তিনি। জাতীয় দলে সাফল্য এনে দিতেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এই তরুণ।
অ্যাডাম আব্বাস বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলা। আমার মনে হয় আগামী দিনগুলোতে আমরা অনেক সফলতা পাবো। পুরুষ জাতীয় দলে ও যুব দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা আসছেন। যাই হোক না কেন, আমাদের অনেক পরিশ্রম করে যেতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারবো আমরা।’
কদিন পরেই অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই দিয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে যাত্রা শুরু হবে অ্যাডাম আব্বাসের। নিজের আর দেশের স্বপ্ন পূরণ করার চ্যালেঞ্জে ভালোভাবেই এগোতে চান আব্বাস।





