স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘দাবি নিয়ে সংসদে এসে কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যেভাবে বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে তাকে কোনোভাবেই গণতন্ত্র বলা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে গণতন্ত্র যায় না। টেকসই গণতন্ত্রের জন্য অস্থির হলে হবে না। পাঁচ মাসেই সরকারকে ব্যর্থ বলার সুযোগ নেই। বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্রের কথা বলা হলেও শেখ হাসিনা সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজপথে আওয়ামী আমলের মতোই হুমকি দেয়া হচ্ছে। হাসিনার মতো ভাষায় কথা বলা হচ্ছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের গণমাধ্যম মালিকপক্ষ লোন নিচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। তারা সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকেন। গণমাধ্যমে এখন কোনো চাপ নেই। সেলফ সেন্সরশিপে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেন সাংবাদিকরা।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বিনা নোটিশে সাংবাদিকদের চাকরি চলে যাচ্ছে। এসব নিয়ে সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর জোরালো ভূমিকা নেই। ওয়েজ বোর্ড নেই, বেতন নেই এসব নিয়ে কোনো প্রতিবাদ নেই কোনো সাংবাদিকের।’
সোশ্যাল মিডিয়া নতুন আতঙ্কের কারণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু মিডিয়ার টকশোতে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা হয়, সফলতা নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। সোশ্যাল মিডিয়া নতুন করে আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠছে। একজন মানুষের সারা জীবনের অর্জন এক মুহূর্তে নষ্ট করে দিতে পারে ভুয়া নিউজ।’
গণমাধ্যম শক্ত থাকলে গণতন্ত্র নিশ্চিত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘মিডিয়াকে নিজের পায়ের ওপর দাঁড়াতে হবে, মালিক ও সাংবাদিকদের যৌথ উদ্যোগে। গণমাধ্যম শক্ত থাকলে গণতন্ত্র নিশ্চিত হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।’
তিনি বলেন ‘বিএনপি সবসময় উত্তরাধিকার সূত্রে ধ্বংসস্তূপ পায়। গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যা বিএনপির না। ব্যাংকগুলো সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে, পরমতসহিষ্ণু হতে হবে। সময় নিয়ে কাজ করলে একটা অবস্থানে পৌঁছাবে সরকার।’





