আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত)-এর বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান হাজারী কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া দক্ষিণপাড়া হাজারী বাড়ির বাসিন্দা এবং মৃত আলী হোসেনের ছেলে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল টাকা-পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম সোহানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মিজানুর রহমান ধারালো দা দিয়ে সোহানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
প্রথমে সোহানকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২৬ এপ্রিল লাকসাম থানায় মিজানুর রহমান হাজারীসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান হাজারী ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
অপরদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার।





