মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শিপিং খাতে বাংলাদেশের নাবিকদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং তাদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও জোরদার করতে হবে।’
সভায় বাংলাদেশি নাবিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে ট্রানজিট ভিসা, ক্রু পরিবর্তন ভিসা, শোর পাস ও এন্ট্রি ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাবিক সরবরাহকারী দেশ হলেও সাম্প্রতিক এসব জটিলতার কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজে নিয়োগ ও কর্মসংস্থানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
এসময় ২০২৮ সালের আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) স্টেট অডিট স্কিমের প্রস্তুতি, ২০১৭ সালের অডিটে চিহ্নিত বিষয়গুলোর অগ্রগতি এবং জাতীয় প্রস্তুতি পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় হংকং কনভেনশন বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা, ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট নীতিগত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এছাড়া সামুদ্রিক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো, জাহাজের জ্বালানি ব্যবহারের জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি, বাংকার ফুয়েল মনিটরিং ফ্রেমওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সভায় দেশের সামুদ্রিক খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে একটি সমন্বিত মেরিটাইম পলিসি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ নীতিমালার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ব্লু ইকোনমির বিকাশ, বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাবিকদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে কার্যকর দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





