অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনা’ লেখা ব্যানার প্রদর্শন, যা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া বৈষম্যমূলক স্লোগান, নিরাপত্তা প্রটোকল লঙ্ঘন, দেরিতে ম্যাচ শুরু এবং দর্শকদের অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের পর সংঘর্ষের ঘটনায় লেয়ান্দ্রো পারেদেস, নাউয়েল মলিনা, থিয়াগো আলমাদা, সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।
ফিফা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সবাই নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ পাবেন, এরপর ডিসিপ্লিনারি কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।





