সেখানে তিনি প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে যুগপৎ আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে শরিক ৪১টি দলের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান।
গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।





