ক্ষ্যাপাটে, পাগলাটে কিংবা উন্মাদনার চূড়ান্ত রূপ। আর্জেন্টিনা ভক্তদের এই বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসের রেশ যেন কাটছেই না। হবেই না কেন, উৎকণ্ঠা, শঙ্কা পেরিয়ে আরও একবার অবিশ্বাস্য ভাবে যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লিওনেল মেসির দল।
বুধবার রাতে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছেয়ে যায় আকাশী-সাদা রঙে। সেমিফাইনালের মহারণে যদিও প্রথমে পিছিয়ে গেলে ভয় ধরে আলবিসেলেস্তা শিবিরে। তবে ফের একবার শেষ সময়ের খেলায় ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বুক বাধে সমর্থকেরা।
লিওনেল মেসি, এনজো ফার্নাদেজরা কি আর সেই মুখে হাসি না ফুটিয়ে পারে। লাউতারো মার্টিনেজের জয়সূচক গোলে ভেঙে যায় সব চাপা উত্তেজনা আর ভয়ের বাধ। উন্মাদনায় হেসে, খেলে, গেয়ে টিএসসি প্রাঙ্গণ কাঁপিয়ে তুলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
দর্শকরা জানান, ৮০ মিনিট লাস্ট যদি এক মিনিট থাকতো তাও আমাদের মধ্যে ভয় কাজ করতো না। আমরা জানি যে শেষের দিকে আমরা গোল দেবো।
ঢাবির টিএসসি থেকে মহসিন হল, আনন্দ, উৎসবের যেন শেষই নেই। রাজু ভাস্কর্যে চলে প্রিয় দলের বিজয় উদযাপন। নির্ঘুম চোখে স্বপ্ন একটাই, মেসির আর্জেন্টিনা তুলবে টানা দুই বিশ্বকাপ।
দর্শকরা জানান, আশাবাদী, মোর দ্যান ১০০ পারসেন্ট, বাকিটাতো দেখা যাবে কী হয়। খুবই ভালো লেগেছে। সে ট্রাই করলো, লাস্টে তার গোলগুলো আটকে দেয়া হয়েছিল। তাই ফাইনালে পারবে।
