রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রদূতদের সামনে তাদের নিজ নিজ দেশের নেতৃত্বের ‘ধ্বংসাত্মক নীতির’ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। মস্কোর দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোর এসব নীতি ইউক্রেনকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে। এছাড়া এই সংকটের মূলে থাকা কারণগুলো দূর করার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর জন্য রাশিয়ার মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গিগুলো তাদের সামনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বুধবারই জানিয়েছিলেন যে এই তিন দেশের রাষ্ট্রদূতরাই গালুজিনের সাথে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিলেন। ল্যাভরভ বলেন, ‘আমরা তাদের সাথে দেখা করব এবং তাদের কথা শুনব। এটা দেখা বেশ কৌতূহলজনক হবে যে তারা গঠনমূলক কোনো চিন্তার উদ্রেক করতে পারে এমন কিছু পেশ করতে পারে কি না।’
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহান্তেই লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের পর ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে রাশিয়ার এই নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হলো।





