কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ বলেন, ‘এই উদ্যোগ গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’
আরও পড়ুন:
এদিকে আর্কটিক অঞ্চলে কুটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে, একই দিন ফ্রান্সও রাজধানী নুক-এ তাদের কনস্যুলেট খুলেছে। এতদিন পর্যন্ত গ্রিনল্যান্ডের রাজধানীতে কেবল আইসল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কনস্যুলেট ছিলো।
জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ট্রাম্পের বারবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে নেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলার পর দ্বীপটিতে ফ্রান্স ও কানাডার কনস্যুলেট খোলাটা গ্রিনল্যান্ডবাসীর প্রতি ন্যাটো মিত্রদেশগুলোর সমর্থন অব্যাহত রাখারও একটি সংকেত।
