যমুনার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে এগিয়ে যান এবং বেলা ১১টার পর সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন।
পরে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নেন। এসময় কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন, যাদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আন্দোলনে অংশ নেয়া কর্মচারীদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ। ব্যারিকেডের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এ কারণে বাংলামোটর থেকে শাহবাগমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীরা ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘অফিস না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘অবিলম্বে পে স্কেল, দিতে হবে দিয়ে দাও’ এবং ‘যমুনারে যমুনা, পে স্কেল ছাড়া যাব না’—এমন স্লোগান দেন।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘নবম পে স্কেলের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও সরকার এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করছে না। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। একটি রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে প্রজ্ঞাপন আটকে আছে, এটা আমরা মানব না। অবিলম্বে পে স্কেল দিতে হবে।’
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সকাল ১০টার পর সরকারি কর্মচারীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তা থেকে সরে যেতে অনুরোধ করা হলেও তারা সাড়া না দেয়ায় পুলিশ ধাওয়া ও জলকামান ব্যবহার করলে আন্দোলনকারীরা সরে গিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেয়।’
এদিকে, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিও চলছে। জাতিসংঘের অধীনে শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে তারা সেখানে অবস্থান করছেন।





