সবুজ ঘাসে যতদিন ফুটবল গড়াবে, ততদিন জেগে থাকবে একটা প্রশ্ন, মেসি নাকি রোনালদো- কে সেরা? দুই যুগ শীর্ষ পর্যায়ে নিজেদের দাপট ধরে রেখে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিয়েছেন দুজনই। বিশ্বকাপ আর মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি সর্বকালের সবচেয়ে বেশি ট্রফির মালিকানা নিয়ে বিতর্কে ফুলস্টপ টেনেছেন লিওনেল মেসি। তবু থেমে নেই আলোচনা। ফুটবলীয় দক্ষতা কিংবা একাগ্রতায় ব্যক্তিপর্যায়ে কে সেরা? এ প্রশ্ন চলছে-চলবে।
উত্তর দেয়ার জন্য আনহেল দি মারিয়ার চেয়ে যোগ্য আর কে হতে পারে? ২০১০ থেকে ১৪, চার মৌসুম ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে। আর সেই যুব পর্যায় থেকে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি জয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে কাটিয়েছেন প্রায় দুই দশক। সেই দি মারিয়া উত্তর দিয়েছেন মেসি-রোনালদোর প্রশ্নেও।
তার মতে, পরিশ্রম আর প্রচেষ্টায় নিজেকে নাম্বার ওয়ান হিসেবে দেখতে চাইতেন ক্রিস্টিয়ানো। কিন্তু লিওনেল মেসি এমন একজন যিনি ড্রেসিংরুমে বসে আরাম করে চা খেতেন আর মাঠে নেমে প্রমাণ করতেন সৃষ্টিকর্তা তাকে সেরা হওয়ার জন্যই পাঠিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
বর্তমান সময়ের আরেক সেরা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গেও খেলেছেন দি মারিয়া। পিএসজিতে একসঙ্গে খেলা ছাড়াও, সামনে থেকেই দেখেছেন কিভাবে বিশ্বকাপটা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিলেন ফরাসী তারকা। এমবাপ্পেকে সময়ের সেরা মানতে তাই আপত্তি নেই আর্জেন্টাইন তারকার।
তিনি জানান, কিলিয়ান কয়েকবছর ধরেই বিশ্বসেরাদের কাতারে আছে। সামষ্টিক ট্রফি বিবেচনার মাঠে ব্যক্তিগতভাবে তার যে প্রভাব, সেটিই প্রমাণ করে তার শ্রেষ্ঠত্ব। প্রতিদিনই সে প্রমাণ করছে সে সর্বকালের সেরাদের একজন। এবং বর্তমানে সে সবার সেরা।
ইউরোপ মাতিয়ে গেল বছর দি মারিয়া ফেরেন তার শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে। ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় বলে দেন তিনি। আসন্ন বিশ্বকাপে তাই কেবলই দর্শক হয়ে গলা ফাটাবেন আর্জেন্টিনার পক্ষে।





