সংগঠনটি বলছে, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও বহুদলীয় রাজনীতির সংগ্রামে তার ভূমিকা সময়ের দলিল হয়ে থাকবে। তার এই চলে যাওয়া জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেছে বিএইচআরএফ।
এতে বলা হয়, ৩৭ দিন চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি প্রতীক ইজাজ ও সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদ শুভ গভীর শোক জানিয়েছেন।
নেতারা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন প্রতিকূলতার মুখে আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। সংকটে তিনি জাতিকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, আর প্রস্থানে রেখে গেছেন ঐক্য ও প্রতিরোধের শিক্ষা।
আরও পড়ুন:
বিএইচআরএফ নেতারা বলেন, ‘খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি রক্ষা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা স্মরণীয়।’
তারা আরও বলেন, ‘আপসহীন নেতৃত্বই তাকে ইতিহাসে আলাদা অধ্যায় দিয়েছে’। সংকটময় সময়ে তার নেতৃত্ব জাতিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এবং তার প্রস্থান জাতিকে ঐক্য ও প্রতিরোধের শিক্ষাও দিয়ে গেল।
শোকবার্তায় মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। বিএইচআরএফ নেতাদের প্রত্যাশা, জাতি এ শোককে ধারণ করবে, শক্তিতে রূপান্তর করবে এবং কল্যাণময় ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। সেখানেই ৩৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ইন্তেকাল করেন তিনি। গতকাল (বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে শহিদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।





