এশিয়া
বিদেশে এখন
লোকসভা নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারণা
ভারতের লোকসভা নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারণা চলছে। পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের নানা সমীকরণ মেলাতে মাঠে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলো। ৭ দফায় ভোটের আয়োজনে খুশি বিরোধী দলগুলো, তবে নাখোশ তৃণমূল কংগ্রেস।

আগামী ১৯ এপ্রিল ভারতের লোকসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনে এবার সাত ধাপে ভোটগ্রহণ হবে, যা চলবে জুন পর্যন্ত। ২৩টি জেলার সবকটি আসনে চলছে প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। এদিকে ভোটারদের সমর্থন পেতে নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন সবদলের প্রার্থীরা।

পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত ৩০টি। বাকি ১০টি আসন সুবিধাবঞ্চিত তফসিলি জাতি এবং ২টি তফসিলি জনজাতির জন্য বরাদ্দ। ৭ দফার ভোটের আয়োজনে চাঙ্গা পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলগুলো। তাদের মতে, ভোটারদের নিরাপত্তা জোরদার হবে। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলও নির্বাচনে পেশিশক্তি খাটাতে পারবে না।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষায় ভোটারদের সুরক্ষা দিতে হবে। আর ভোটাররা মত প্রকাশের সুযোগ পেলে এবারের নির্বাচন স্বচ্ছ ও ভালো হবে।’

তবে সাত দফার ভোটের ঘোষণায় নাখোশ তৃণমূল কংগ্রেস। এক বিবৃতিতে দলটি জানায়, এতে ভোটাররা সমস্যায় পড়বে। আর্থিকভাবে ক্ষমতাবান দলগুলো ফায়দা লুটবে। টাকা ঢেলে ভোটের ফল নিয়ন্ত্রণের সুযোগও পাবে বিরোধীরা।

পশ্চিমবঙ্গ জেলার তৃণমুল নেতা দুলাল পাত্র বলেন, ‘দিল্লি থেকে এসে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গকে অশান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। আর সেটার বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই।’

এদিকে কংগ্রেস সভাপতির অভিযোগ, নির্বাচনের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালসহ বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার করে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসকে নির্বাচনের আগে আর্থিকভাবে পঙ্গু করতে একে একে সব অ্যাকাউন্ট জব্দ করেছে বিজেপি সরকার। ইডি, সিবিআই, আয়কর অফিসার দিয়ে বিজেপি যা ইচ্ছা তাই করছে।’

পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজার কেন্দ্রে চলবে ৪৪ দিনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম। ফলাফল প্রকাশিত হবে ৪ জুন। পশ্চিমবঙ্গে এবারের ভোটার ৭ কোটি ৫৯ লাখের বেশি। এদের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ৭৭০ জন।

এওয়াইএইচ