ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বর্ষাকাল সব সময়ই কবি, সংগীতজ্ঞ ও শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে। এ সংহতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠানে বিশেষ সংগীত পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী গুরু অনিল কুমার সাহা, শ্রী আলোক কুমার সেন এবং বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ড. চঞ্চল খান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেন গুরু অনিল কুমার সাহা এবং তার শিষ্য শ্রী আলোক কুমার সেন। গুরু অনিল কুমার সাহা বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ও সংগীতগুরু, যিনি দেশে ধ্রুপদি সংগীত চর্চা ও প্রসারে দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
অন্যদিকে, আলোক কুমার সেন হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ও উপ-শাস্ত্রীয় সংগীতে তার পারদর্শিতার জন্য দেশে ও বিদেশে সমাদৃত। তার গজল ও আধুনিক গানের গায়কীও দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানের শেষে ছিল বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত গবেষক ও শিল্পী ড. চঞ্চল খানের পরিবেশনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার গানগুলোর আবেগঘন উপস্থাপনার জন্য তিনি সুপরিচিত।
শিল্পীরা তাদের পরিবেশনায় বর্ষা-কেন্দ্রিক বাংলা ও হিন্দি গানগুলো তুলে ধরেন, যা দুই দেশের সাংস্কৃতিক মৈত্রীর এক অনন্য প্রতিফলন। ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তাদের সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যার মূল লক্ষ্য শিল্পকলার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি করা।





