নগর পরিকল্পনা
পরিকল্পনার অভাব নাকি জনসংখ্যা বৃদ্ধি? মিরপুরের পানি সংকটের আসল কারণ কী?

পরিকল্পনার অভাব নাকি জনসংখ্যা বৃদ্ধি? মিরপুরের পানি সংকটের আসল কারণ কী?

তীব্র পানি সংকটে মিরপুরের শেওড়াপাড়াসহ আশেপাশের এলাকা। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক মাস ধরে ঠিকমতো নেই পানি সরবরাহ। দিনে মাত্র একবার পানি আসে, তাও খুব কম সময়ের জন্য। অনেক সময় আবার দুই-তিনদিনেও পানির দেখা মেলে না। সংকটের জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ন আর জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে কারণ বলছে ওয়াসা। তবে নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ওয়াসার কাঠামোগত সমন্বয়হীনতা আর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবেই তীব্র হচ্ছে সংকট।

জলে ভাসা রাজধানী নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী

জলে ভাসা রাজধানী নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী

গেল শুক্রবারের রেকর্ড বৃষ্টি ও জলে ভাসা রাজধানী নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সিটি করপোরেশনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ শহরের মানুষের। তবে ভীতি নয় বরং জনগণের সচেতনতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে এমন অবস্থার উত্তরণের আশা সিটি করপোরেশনের। দ্রুত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের পরামর্শ নগর পরিকল্পনাবিদদের।

দু’দিন ধরে ভাসছে নগর পরিকল্পনার আঁতুড়ঘর বুয়েট

দু’দিন ধরে ভাসছে নগর পরিকল্পনার আঁতুড়ঘর বুয়েট

নগর পরিকল্পনার আঁতুড়ঘর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ভাসছে পানিতে। বৃষ্টির একদিন পর এখনো পানিতে থৈ থৈ অবস্থা শিক্ষার্থীদের হলগুলো। প্রধান প্রধান সড়কের পানি নামলেও, অলিগলিতে রয়ে গেছে জলাবদ্ধতা। এতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ।

দখল-দূষণে সারাদেশের খাল; সংস্কার-তদারকির অভাবে অধিকাংশই মৃতপ্রায়

দখল-দূষণে সারাদেশের খাল; সংস্কার-তদারকির অভাবে অধিকাংশই মৃতপ্রায়

ঢাকার দুই সিটির ২৬টি খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ কিলোমিটার। যার কোনো কোনোটিতে অল্প পানির দেখা মেলে আবার কোনোটি শুধুই আবর্জনা আর বসতবাড়ির দখলে রয়েছে। বর্জ্য ফেলায় বিষাক্ত হয়ে পড়ছে অনেক খালের পানি, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে হুমকি। রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা শহরের খালের অবস্থাও নাজুক। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, খাল-ড্রেন সংস্কার ও নির্মাণে পরিকল্পনার অভাবে অর্থের অপচয় হয়েছে। আর শুধু সাময়িক দখলমুক্ত নয়, দেখভালে চাই নিয়মিত তদারকি।

ঢাকার ৩০ হাজার রেস্তোরাঁর বেশিরভাগের সনদ নেই

ঢাকার ৩০ হাজার রেস্তোরাঁর বেশিরভাগের সনদ নেই

রাজধানী ঢাকায় প্রায় ৩০ হাজার রেস্তোরাঁ রয়েছে। তবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন বলছে, তাদের থেকে লাইসেন্স নেয়া রেস্তোরাঁ মাত্র ২ হাজার ১৩৬টি। অন্যদিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্যমতে, সরকারের সব সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ছাড়পত্র নিয়ে দুই সিটি এলাকায় ব্যবসা করছে মাত্র ১২৮টি রেস্তোরাঁ।