ডিজিটাল প্রযুক্তি
জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক: কীভাবে নেবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং সুবিধা কী?

জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক: কীভাবে নেবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং সুবিধা কী?

স্মার্ট ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Bangla QR Code Bangladesh Bank Update: Benefits, Registration Process and Requirements)। আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে দেশের সব ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেনে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangla QR code mandatory Bangladesh Bank)। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) এবং ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেমগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে বা ইন্টারঅপারেবল সিস্টেমে যুক্ত হওয়ার চূড়ান্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে (Digital payment interoperability deadline Bangladesh)।

বাড়ছে ক্যাশলেস লেনদেন; বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলকের উদ্যোগ

বাড়ছে ক্যাশলেস লেনদেন; বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলকের উদ্যোগ

ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে বাড়ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টা যেকোনো স্থানে টাকা পাঠানো ও গ্রহণ করা সহজতর হওয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ক্যাশলেস লেনদেন। সরকারও রাজস্ব আয় বাড়াতে ডিজিটাল লেনদেনে বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে অর্থনীতি গবেষকরা বলছেন, ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে এ খাতে অন্তত সাত থেকে আটটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট নীতিমালা করতে চায় জাতিসংঘ

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট নীতিমালা করতে চায় জাতিসংঘ

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে যোগাযোগ আরও বাড়ানো যায় তার জন্য গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট নীতিমালা করতে চায় জাতিসংঘ। বিশ্বনেতাদের কাছে নীতিমালায় কী কী থাকবে তা তুলে ধরা হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার যেন জনগণের কাছে সহজলভ্য হয় সেটিও করতে চান তারা। তাই এবারের জাতিসংঘ সম্মেলনকে বলা হয়েছে সামিট অফ দা ফিউচার। সম্মেলনে কাল সোমবার থেকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় কর্মীদের অফিসিয়াল বার্তা উপেক্ষার অধিকার দিয়ে আইন পাশ

অস্ট্রেলিয়ায় কর্মীদের অফিসিয়াল বার্তা উপেক্ষার অধিকার দিয়ে আইন পাশ

অস্ট্রেলিয়ায় কর্মঘণ্টার পর অফিসিয়াল যেকোনো বার্তা কর্মীদের উপেক্ষা করার অধিকার দিয়ে একটি আইন পাশ করা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।