কোরআনের আইন
ইসলামে প্যাসিভ ইনকাম কি বৈধ? জেনে নিন ৮ শরিয়াহসম্মত উপার্জনের উপায়

ইসলামে প্যাসিভ ইনকাম কি বৈধ? জেনে নিন ৮ শরিয়াহসম্মত উপার্জনের উপায়

প্রতিদিন নিয়মিত শ্রম না দিয়েও শরিয়াহসম্মত পদ্ধতিতে সম্পদ ও মেধার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করাকে প্যাসিভ ইনকাম (Passive Income in Islam) বলা হয়। ইসলামে ব্যবসা ও সম্পদ বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা হলেও উপার্জন অবশ্যই হালাল ও সুদমুক্ত হওয়া আবশ্যক। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৫) (Halal Passive Income Ways in Islam & Islamic Finance Rules)।

মৃত্যুর পর কুলখানি ও চল্লিশা: সামাজিক প্রথা বনাম ইসলামি বিধান

মৃত্যুর পর কুলখানি ও চল্লিশা: সামাজিক প্রথা বনাম ইসলামি বিধান

সৃষ্টিজগতের অমোঘ নিয়ম হলো মৃত্যু। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন, "জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে"। কারো মৃত্যুর পর আমাদের সমাজে তৃতীয় দিনে ‘কুলখানি’ (Kulkhani) এবং ৪০তম দিনে ‘চল্লিশা’ (Chelum/40th Day) উপলক্ষে বিশাল ভোজের আয়োজন করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসলামি শরিয়তে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ মেনে এ ধরণের আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তি কতটুকু?

কত টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে? জেনে নিন শরিয়তের বিধান

কত টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে? জেনে নিন শরিয়তের বিধান

যাকাত ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের (Five Pillars of Islam) অন্যতম এবং ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত। ‘যাকাত’ (Zakat) শব্দের অর্থ পবিত্রতা ও প্রবৃদ্ধি। এটি মানুষের অর্জিত সম্পদকে যেমন পবিত্র করে, তেমনি সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। পবিত্র কোরআনে নামাজের (Salah) পাশাপাশি যাকাত আদায়ের নির্দেশ ৮২ বার এসেছে।

কোরআনের ব্যাখ্যায় এআই ব্যবহারের সতর্কতা, কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিপজ্জনক হতে পারে?

কোরআনের ব্যাখ্যায় এআই ব্যবহারের সতর্কতা, কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিপজ্জনক হতে পারে?

বর্তমান যুগে দৈনন্দিন কাজে আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বা এআই প্রযুক্তির ওপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। তবে ইসলামের সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গা—পবিত্র কোরআনের ব্যাখ্যা বা তাফসির (Tafsir) করার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞ আলেমরা। তারা মনে করেন, যান্ত্রিক মেধার মাধ্যমে ঐশ্বরিক বাণীর বিধান আহরণ করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অনুমোদিত নয়।

'যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত দুঃশাসন মুক্ত না হবে ততদিন পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে'

'যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত দুঃশাসন মুক্ত না হবে ততদিন পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে'

ঘুষ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে কোরআনের আইন বাস্তবায়ন ছাড়া সম্ভব না জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ একটা মানবিক বৈষম্যহীন দুর্নীতিমুক্ত ও দুঃশাসন মুক্ত বাংলাদেশ না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। এই লড়াইয়ে সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমীর।