
গণভোট কেন দেবেন, কীভাবে দেবেন
আজ (বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। একদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রকাঠামো নির্ধারণে ঐতিহাসিক গণভোট (Referendum)। গণভোট মানে হলো কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি বা সাংবিধানিক পরিবর্তনের ওপর জনগণের সরাসরি রায়। এবারের গণভোট মূলত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ (July National Charter 2025) বাস্তবায়নের একটি আইনি ম্যান্ডেট। ভোটাররা যদি এই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে 'হ্যাঁ' ভোট দেন, তবে নবনির্বাচিত সংসদ পরবর্তী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে এই পরিবর্তনগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য থাকবে।

গণভোট ২০২৬: ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংবিধানে যা যা বদলে যাবে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা শুধুমাত্র তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন না, বরং ‘জুলাই সনদ’ (July Charter) গ্রহণের মাধ্যমে নতুন এক সংবিধানের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস (Dr. Muhammad Yunus) ইতিমধ্যে এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়, তবে সংবিধানে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব (Reform Proposals) কার্যকর হবে।

উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন
উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদে এ অনুমোদন দেয়া হয়।