মেক্সিকো নাকি ইংল্যান্ড? নাকি আবহাওয়া? রাউন্ড অব সিক্সটিনে মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচের নায়ক আসলে হবেন কে? খেলা শুরুর আগে অবশ্য সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে মাঠ কেন্দ্র করে। ১৯৬৬ সালে স্থাপিত এস্তাদিও অ্যাজটেকা বা মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম বরাবরই প্রতিপক্ষের জন্য বধ্যভূমি। এই মাঠে কোনো দেশই আজ পর্যন্ত মেক্সিকোকে হারাতে পারেনি। আপাতত সেই অসাধ্য কাজটার সামনে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ড।
ঘরের মাঠে মেক্সিকোর এমন অজেয় থাকার অন্যতম কারণ স্টেডিয়ামের উচ্চতা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭ হাজার ২০০ ফিট উপরে স্বাভাবিক শ্বাস নেয়াই অনেকটা কষ্টের। হোম কন্ডিশনের সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর সেভাবেই চড়াও হয়ে থাকে এল ত্রি।
তবে এ ম্যাচের আগে দুই দলের জন্যই সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এগিয়ে এসেছে ফিফা। জানিয়েছে, ম্যাচে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে এবং শক্তির অসম ব্যবধান কমাতে ইংল্যান্ড দল চাইলেই ম্যাচের আগে ভায়াগ্রা সেবন করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
অবশ্য ইংলিশ কোচ জানিয়েছেন, ফিফা সুযোগ দিলেও ভায়াগ্রা ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই তার দলের। সেইসঙ্গে এও জানিয়েছেন, এমন এক ঐতিহাসিক মাঠে খেলতে পারা বিশেষ কিছু।
যদিও কোচের বক্তব্যের সঙ্গে ইংলিশ ফুটবলের বাকিরা কতটা একমত হবেন, তা নিয়ে আছে প্রশ্ন। সবশেষ এই মাঠে ইংল্যান্ড খেলেছিলো ১৯৮৬ সালে।
সেবার ৪ মিনিটের ব্যবধানে দিয়েগো ম্যারাডোনার কাছ থেকে তারা হজম করেছিলো বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘দ্য গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। ৪ মিনিটের সেই ম্যারাডোনা শো, বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে দিয়েছিলো ইংল্যান্ডকে। এ যেন আবহাওয়ার পাশাপাশি অতীতের তিক্ত স্মৃতির বিপক্ষেও লড়াই ইংলিশদের।
মুখোমুখি নয়বারের দেখায় ইংল্যান্ড মেক্সিকোকে হারিয়েছে ৬ বার। এর সবকটাই এসেছিলো ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে। ভিন্ন মাঠে সাফল্যের ধারাটা হ্যারি কেইনের দলকে ধরে রাখতে হলে শুধু মাঠেই না, জিততে হবে আরও অনেক কিছুই।

 or Benjamin Netanyahu (right) are projected to win enough seats for a majority-320x167.webp)



