দুয়োধ্বনি আর বজ্রপাতের শঙ্কা—সব বাধা পেরোতে প্রস্তুত থ্রি লায়ন্সরা

ইংল্যান্ড ফুটবল দলের একাংশ
ইংল্যান্ড ফুটবল দলের একাংশ | ছবি: সংগৃহীত
0

মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ের আগে ইংল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাঠের বাইরের আবহ। থ্রি লায়ন্সকে সামলাতে হচ্ছে প্রতিপক্ষের দুয়োধ্বনি, বজ্রপাতের শঙ্কা, বৈরী পরিবেশ, হোটেলে রাতভর শব্দের আশঙ্কা। তবে সব বাধা পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই টমাস টুখেলের দলের একমাত্র লক্ষ্য।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মহারণে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়ার আগে একের পর এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছে ইংল্যান্ড। মেক্সিকো সিটিতে পৌঁছাতেই সমর্থকদের দুয়ো, কড়া নিরাপত্তার বেড়াজাল আর সম্ভাব্য হোটেলে রাতভর শব্দের আশঙ্কা ঘিরে ফেলেছে থ্রি লায়ন্স শিবিরকে।

কানসাস সিটিতে শেষ অনুশীলনে বল দখল, ড্রিল ও পুনরুদ্ধার নিয়েই বেশি কাজ করেছে টমাস টুখেলের দল। খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত বিশ্রামের জন্য ইয়ারপ্লাগ ও হোয়াইট-নয়েজ ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করলেও সবরকম পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত আছে ইংলিশরা।

এদিকে প্রবল বজ্রঝড়ের পূর্বাভাসে ম্যাচের সময় এগিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল ফিফা। যদিও শেষ পর্যন্ত সূচি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, তবুও খেলা বিলম্বিত হওয়ার শঙ্কা এখনো রয়েছে। এর আগে একই স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর ম্যাচও এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল।

এছাড়া ইংল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মেক্সিকো সিটির ২২০০ মিটার উচ্চতাও। মাত্র দুই দিন আগে সেখানে পৌঁছানোয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সময় পায়নি দলটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উচ্চতায় খেললে দ্রুত ক্লান্তি আসে এবং স্প্রিন্টের পর পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে স্বাগতিক মেক্সিকো ইতোমধ্যেই এ পরিবেশে খেলে পুরোপুরি অভ্যস্ত।

তবে ইংলিশ ফরোয়ার্ড মার্কাস রাশফোর্ড জানালেন, উচ্চতা কিংবা ম্যাচের সময় বদল তাদের মানসিকতায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তার মতে, বিশ্বকাপ জিততে হলে কঠিন সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই হবে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সম্ভাব্য গুপ্তচরবৃত্তির শঙ্কাও। কৌশলগত অনুশীলন গোপন রাখতেই নির্ধারিত সময়ের একদিন পর মেক্সিকো সিটিতে এসেছে ইংল্যান্ড। সব বাধা পেরিয়ে এখন টমাস টুখেলের দলের একটাই লক্ষ্য। স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় তুলে শেষ আটে পা রাখা।

জেআর