পুনর্গঠনের পথে সেলেসাও: এস্তেভাও-রেইসদের ওপর ভরসা

এস্তেভাও উইলিয়ান
এস্তেভাও উইলিয়ান | ছবি: সংগৃহীত
0

২০২৬ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর এখন থেকেই ২০৩০ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা শুরু করেছে ব্রাজিল। কোচ কার্লো আনচেলত্তির নতুন প্রকল্পে ভরসা হতে পারেন একঝাঁক তরুণ ফুটবলার।

২০০২ বিশ্বকাপে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল। এরপর একে একে ছয়টি আসর খেললেও সেরার মুকুট পরতে পারেনি সেলেসাওরা। সবশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালেও উঠতে পারেনি তারা। আর তাই ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন দল গঠনের কাজ শুরু করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

দল পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকজন তরুণের ওপর নজর রাখতে পারেন ব্রাজিল ভক্তরা। যেখানে সবচেয়ে বড় ভরসা হতে পারেন ১৯ বছর বয়সী এস্তেভাও। ইনজুরির কারণে সর্বশেষ বিশ্বকাপ মিস করলেও তাকেই ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে দেখছে হলুদ-নীল শিবির। ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড সমস্যার সমাধান হতে পারেন চেলসিতে খেলা এই ফুটবলার।

আক্রমণে এস্তেভাও ছাড়াও রয়েছেন আরও কয়েকজন উঠতি তারকা। জোয়াও পেদ্রো, কাইও জর্জ, ভিতর রোক ও ইগর জেসুস প্রত্যেকেই দিন দিন নিজেদের ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে জাতীয় দলে নিজেদের জায়গা শক্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

শেষ কিছু আসরে ব্রাজিলের দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ ছিল রক্ষণভাগ। সেন্টার-ব্যাক পজিশনে দুর্বলতা কাটাতে নজর থাকবে ভিতর রেইসের দিকে। লেফট-ব্যাক পজিশনে কাইকি ব্রুনো ও রাইট-ব্যাকে ওয়েসলি হতে পারেন দীর্ঘমেয়াদি সমাধান।

নতুন দল সাজানোর ক্ষেত্রে মিডফিল্ডে আন্দ্রে সান্তোস ও জোয়াও গোমেসের ওপর ভরসা রাখতে পারেন সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শক্তি, গতি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তারা হতে পারেন দলের চালিকাশক্তি।

চার বছর পর অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী বিশ্বকাপ। সেই আসরে পরম আকাঙ্ক্ষিত হেক্সা জিততে চাইলে এই তরুণদের ওপর ভরসা রাখতে পারে ব্রাজিল। অভিজ্ঞদের সঙ্গে এই তরুণদের সমন্বয় হতে পারে সেলেসাওদের স্বপ্নপূরণের চাবিকাঠি।

ইএ