সার্ক কোটার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন, স্থায়ী ক্যালেন্ডার চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক | ছবি: সংগৃহীত
0

ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম শুরুর সময় পেছানোর ঘটনায় হতাশ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। জটিলতা নিরসনে স্থায়ী ক্যালেন্ডার প্রণয়নের পরামর্শ তার। একইসঙ্গে সাফ কোটায় বিদেশি খেলোয়াড়দের দেশি হিসেবে খেলানোর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ঘরোয়া ফুটবলের সূচি পরিবর্তন যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতি মৌসুমের মতো ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। আগস্টে শুরুর কথা থাকলেও আবাহনী, বসুন্ধরার মতো হাই প্রোফাইল ক্লাবগুলোর নিষেধাজ্ঞার কারণে সেটি পিছিয়ে নেয়া হয়েছে ১৮ই সেপ্টেম্বরে।

লীগ পিছিয়ে যাওয়া বা তারিখ পরিবর্তন মানেই ক্লাব থেকে শুরু করে ফুটবলার সবারই পরিকল্পনায় ব্যাঘাত। তাই বারবার সূচি পরিবর্তন বন্ধ করতে বাফুফের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ফুটবলের যে লীগ বা আমাদের যে ক্লাবকেন্দ্রিক যে একটি জটিলতা রয়েছে আমরা জানি। লীগ পিছানোর যে ট্রেডিশনটা সেটা সেই গতানুগতিকভাবেই রয়ে গেছে। আমাদের যে সম্মানিত সভাপতি রয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের, তার সাথে কথা বলে বিষয়টাকে কীভাবে আমরা এই বছর যেটা পার হয়ে গেছে বাট নেক্সট ইয়ার থেকে যাতে কোনো কারণেই যাতে খেলাধুলা বা কোনো কারণেই যাতে ফুটবল লীগটা না পিছায়। একটি ক্যালেন্ডার চেয়েছি, তো সেই ক্যালেন্ডারটি তারা অলরেডি বোধহয় সাবমিটেড করেছে। তো সেই জায়গাটা আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেন আমরা কাজটি করবো।’ 

এদিকে এবার সার্ক কোটায় ১৯ জন ফুটবলারকে নিয়েছে ক্লাবগুলো। যারা একাদশে সুযোগ পাবেন দেশি খেলোয়াড় হিসেবেই। এ নিয়ে শুরু থেকেই চলছে সমালোচনা। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও প্রশ্ন তুললেন এমন সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘সার্কভুক্ত যেই দেশগুলোর খেলোয়াড়দেরকে নেয়ার মতো লোকাল খেলোয়াড় হিসেবে যেই ট্রেডিশনটা চালু করেছে, সেটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হয়েছে সেটা নিয়ে আসলে আরও বিশদভাবে আলোচনা করা দরকার আছে।’ লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে দল গঠনে সব ক্লাবকে সমান সুযোগ দেয়া উচিত বলে মনে করেন আমিনুল হক।

এএম