বিশ্বে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম: টিআইবি

দেশে এখন
0

দুর্নীতির ধারণা সূচকে দুই ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫১তম। সিপিআই ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২৩ স্কোর নিয়ে বিগত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। দক্ষিণ এশিয়ায় আফগানিস্তানের পরই বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এ অবস্থানের কারণ স্বৈরতন্ত্রের চরম চৌর্যবৃত্ত, বলছে টিআইবি। দুর্নীতি উত্তরণে টিআইবির পরামর্শ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা।

রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশের সার্বিক অর্থনীতির প্রতিবেদন শ্বেতপত্রে উঠে এসেছে সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ। গত ১৫ বছরেই বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচারের তথ্য উঠে আসে।

বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৪'র প্রতিবেদন বলছে দুর্নীতির ধারণা সূচকে দুই ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন বিশ্বে ১৫১তম। গত বছর এ সূচকে বাংলাদেশ ১৪৯তম অবস্থানে ছিল।

দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৪'র বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। সিপিআই ২০২৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৩ যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এদিকে, সর্বনিম্ন স্কোর পাওয়া দেশগুলো মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।

একই স্কোর নিয়ে তালিকায় উচ্চক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থানে রয়েছে কঙ্গো ও ইরান। দক্ষিণ এশিয়ায় আফগানিস্তান ১৭ পয়েন্ট নিয়ে সর্বনিম্ন স্কোর ও অবস্থানে রয়েছে। এদিক থেকে আফগানিস্তানের পরই বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

সিপিআই ২০২৪ অনুযায়ী একশ'র মধ্যে বৈশ্বিক গড় স্কোর‌ ৪৩ সেখানে বৈশ্বিক গড় স্কোরের প্রায় অর্ধেক বাংলাদেশের স্কোর। টিআইবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা গভীর উদ্বেগজনক।

টিআইবি বলছে, স্বৈরতন্ত্রের চরম চৌর্যবৃত্তির কারণে বাংলাদেশের এই অবস্থান। এ পথ উত্তরণে টিআইবির পরামর্শ দুর্নীতি দূর করতে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা। পাশাপাশি, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতরা যতো ক্ষমতাবানই হোক বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ইএ