ভোরের আলো ফোটার আগে টঙ্গীর তুরাগতীরে দেখা যায় পবিত্র আবহ। দিনের শুরুতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ইজতেমা প্রাঙ্গণে আসেন।
জুমার নামাজ শেষে জিকির ও দোয়ায় বিশ্ব ইজতেমায় আসা মুসল্লিরা আল্লাহকে স্মরণ করেন। তখনই আম বয়ান বা বক্তব্য শুরু হয়।
ফজরের পর আমবয়ানে ইসলামী জীবনপদ্ধতি ও ইসলাম প্রচারের নানা বিষয় তুলে ধরেন দিল্লির মাওলানা ইলিয়াস বিন সা'দ কান্ধলভী। যা দেশের আলেমরা বাংলায় অনুবাদ করেন।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিরতির পর দোয়া শিক্ষার অনুশীলনে অনেকে অংশ নেন। আলেমদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সাধারণ মানুষ জেনে নেন।
দুপুরে সবাই জুমার নামাজের প্রস্তুতি নেন। নামাজে অংশ নিতে টঙ্গী ও আশেপাশের মানুষ তুরাগতীরে জমায়েত হন। খুতবার পর তারা নির্দিষ্ট খিত্তা বা তাঁবুর নিচে দাঁড়িয়ে যান। আশেপাশের সড়কেও নামাজের সারি ছাড়িয়ে যায়।
দুপুর পৌনে দুইটায় ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজ শুরু হয়। লাখ লাখ মুসল্লির নামাজে দিল্লির সা'দ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ ইমামতি করেন।
এবারের ইজতেমায় ভারতের দিল্লি মারকাজের মাওলানা সা'দ কান্ধলভী না আসলেও তার তিন ছেলে এসেছেন। এছাড়া বিদেশ থেকে এসেছেন হাজারো মুসল্লি।
তাবলিগ জামাতের চলমান বিরোধের কারণে বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত রোববার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তাবলিগের প্রথম পক্ষ বা মাওলানা জুবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ হয়েছে।
চারদিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পক্ষ বা মাওলানা সা’দ কান্ধলভী অনুসারীদের ইজতেমা আজ শুরু হয়। যা আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।