আজ (বুধবার, ৭ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। শুধু প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক দিন ধরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে নানা ধরনের কর্মসূচি নেয়া হবে, যাতে মানুষ পরিবার পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ হন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু মুখে বলব না, সঙ্গে আমরা সব মেটেরিয়াল সাপ্লাই করব। ট্যাবলেট, কন্ট্রাসেপটিভস, প্যাড—পরিবার পরিকল্পনার যা যা আছে, সবকিছু ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন ও বিধিবিধান অনুসরণ করতে হয়। এসব প্রক্রিয়ায় সময় লাগে। অতীতে অনেক কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী বছরের শুরু থেকে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।’
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে সরকারের অন্যতম দুর্বল জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এ খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। জন্মহার কমানোর ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।’


 in The Hague Netherlands-320x167.webp)


