গ্যাস সংকটের মধ্যেই দেশজুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির বিরূপ প্রভাব পড়েছে দেশের শিল্প খাতেও।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এরমধ্যে রাত ৮টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সব মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।
তবে রাত ৯/১০ অব্দি রাজধানীর অনেক স্থানে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। খোলা শপিং মল, চলছে স্বাভাবিক বেচাকেনা, বন্ধ হয়নি বিলবোর্ডের আলো। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সময়সীমা নির্ধারণের এমন সিদ্ধান্তের কারণে লোকসানে পরেছেন তারা।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘৮টা বাজে বন্ধ করলে কি হবে আমাদের তো কোনো প্রফিট হচ্ছে না। আমরা দোকান ভাড়া কই থেকে দিব, স্টাফদের বেতন কীভাবে দেব?’
তবে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলছেন, নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হবেন তারা।
এ বিষয়ে তদারকি সংস্থা ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার এর দপ্তরে দুই কার্য দিবস ঘুরেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে যুগ্ম সচিব জানান, এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় করা হচ্ছে। এদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে চাহিদা মেটানো সম্ভব হতো।
ঢাকা বিভাগের যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজমুল হক বলেন, ‘ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আমাদের বিদ্যুতের যে সমস্যা চলছে সেটা ওভারকাম হয়ে যেত।’
আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধে খুব তাড়াতাড়ি সবাই একযোগে অভিযানে নামবে বলেও জানান তিনি।
