রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্র পথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
তথ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশী অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
এ সময় তিনি বৈধ পথে আরও বেশি বাংলাদেশী অভিবাসী গ্রহণের জন্য ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। তথ্যমন্ত্রী গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও সম্প্রচার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন।
তিনি ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে, এক্ষেত্রে ‘নলেজ শেয়ারিং’-এর বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্য উপদেষ্টা ইতালির রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে ইতালিতে অভিবাসন বৃদ্ধির অনুরোধ জানান। ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন চলমান আছে এবং বিগত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।—বাসস

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



