আদালতে তোলার আগে প্রিজন ভ্যান থেকে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমার মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হয়েছে।’
এসময় প্রিজন ভ্যানের ভেতরে থাকা একজন পুলিশ সদস্যকে আঙুল তুলে শাসাতে দেখা যায় তাকে। পরে প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় মাথায় থাকা হেলমেট ছুড়ে ফেলে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ নই, হেলমেট পরব না।’
আদালতে শুনানির সময়ও নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নিয়ে কথা বলেন আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ ছিল, সবাই লুটেপুটে খাচ্ছে। প্রসিকিউশন প্রমাণ করুক, আমার অপরাধ প্রমাণ করুক, আমি ফাঁসিতে যাব।’
মামলাটিকে ষড়যন্ত্র দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘এটা ষড়যন্ত্র, মামলা থানায় রুজুর আগেই ডিবি পুলিশ আমার বাসায় হাজির।’
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন আখতারুজ্জামান। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সোয়া ৭টার দিকে তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘ডিবি আখতারুজ্জামানকে থানায় দিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং মারধরের অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপি ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম।





