জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার চেষ্টার পেছনে রাশিয়াকে দায়ী করার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হাইব্রিড হামলা এবং অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে যৌথ এ ধরনের অন্তর্ঘাত কিংবা ন্যাটো দেশগুলোতে কোনো ধরনের হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে আসছে মস্কো।
ডেনিশ প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ন্যাটো ও পশ্চিমা দেশগুলোতে রাশিয়া আগের চেয়ে বেশি ঘন ঘন হামলা চালাতে পারে, যার ক্ষতিকর প্রভাব আরও সুদূরপ্রসারী হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী এক বা একাধিক ন্যাটো দেশের ওপর সীমিত পরিসরে সরাসরি সামরিক হামলা চালানোর ঝুঁকি ‘কম হলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে’।
এক সংবাদ সম্মেলনে ডেনিশ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান থমাস আরেনকিয়েল জানান, সম্ভাব্য এসব সামরিক হামলার লক্ষ্য হবে ন্যাটোর ঐক্যে ফাঁটল ধরানো। তিনি বলেন, ইউক্রেনকে সহায়তাকারী পরিকাঠামোতে দূরপাল্লার ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো কিংবা ইউক্রেনীয় ড্রোনের ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে অন্তর্ঘাত চালানো হতে পারে। এ ছাড়া রাশিয়ার সংখ্যালঘু নাগরিকদের সুরক্ষার অজুহাত দেখিয়ে ন্যাটো সীমান্ত এলাকায় সীমিত সামরিক দলও পাঠাতে পারে মস্কো।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ডেনমার্কের ন্যাশনাল রেজিলিয়েন্স এজেন্সি জানিয়েছে, দেশটিতে রাশিয়ার ক্ষতিকর সাইবার হামলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়েছে ডেনিশ কর্তৃপক্ষ। গত সপ্তাহেও আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি ডেনিশ সামরিক হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে দুটি ফ্লেয়ার বা আলোকসংকেত ছোড়ে একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ, যা হেলিকপ্টারের অত্যন্ত কাছাকাছি গিয়ে পড়ে।





