এর আগে গতকাল (শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড যৌথভাবে জানায়, আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী যাতায়াত, সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও আকাশসীমা ব্যবহারের অধিকার পাবে। একই সঙ্গে চীন ও রাশিয়াকে সেখানে সামরিক উপস্থিতি তৈরি বা ঘাঁটি নির্মাণ থেকে বিরত রাখা হবে এবং মার্কিন প্রতিপক্ষদের সংবেদনশীল বিনিয়োগে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।
তবে চুক্তিটি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এর মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সব চাহিদার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ তৈরি হবে। এটিকে একটি মেয়াদহীন চুক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন শিগগিরই সেখানে বড় ধরনের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে শুরু করবে।
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পরই যৌথ প্রতিক্রিয়া জানায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন জানান, এই সমঝোতা ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেয়। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, নিজেদের নির্ধারিত ‘লাল সীমা’ (রেড লাইন) অক্ষুণ্ণ রেখেই এই চুক্তি করা হচ্ছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ আবারও স্পষ্ট করেছে যে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং ডেনিশ সার্বভৌমত্ব অবশ্যই মেনে চলতে হবে।





