এসব মানদণ্ড বিবেচনায় পূর্বাভাস বদল করেছে সংস্থাটি। তবে দেশের ব্যাংকখাতের বড় দুর্বলতাসহ সরকারের রাজস্ব আয়ও কমেছে।
এছাড়া, রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ দিতে চলে যায়। এসব কারণে মূল ঋণমান ‘বি২’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকি মূল্যায়ন ও ঋণমান নির্ণয়ের কাজ করে আসছে মার্কিন এই সংস্থাটি।
আরও পড়ুন:
মুডিসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সরকারের শক্তিশালী জনসমর্থনে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন, আরও নমনীয় বিনিময় হার এবং রেকর্ড প্রবাসী আয়ের কারণে বাংলাদেশের বহিঃখাতের অবস্থাও উন্নত হয়েছে।
মুডিসের হিসাব মতে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে রিজার্ভ বেড়ে ৩ হাজার ২৯০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এই অর্থ দিয়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।




