ম্যানিলা থেকে পর্যটন এলাকা করনের উদ্দেশে যাওয়ার পথে গত বুধবার এমভি জুন অ্যাস্টার নামের ফেরিটিতে আগুন ধরে যায়। ফেরিটিতে ১১৭ জন যাত্রী ও ১৭ জন ক্রুসহ মোট ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে বিষাক্ত ধোঁয়া ও অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে উদ্ধারকর্মীরা শুক্রবারের আগে ফেরির ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।
এক সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ডের মুখপাত্র কমোডর নোয়েমি কায়াবিয়াব জানান, উদ্ধার করা অধিকাংশ মরদেহ ফেরির কেবিন ও ঘুমানোর কক্ষ থেকে পাওয়া গেছে। ২২ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রাপথে যাত্রীরা সেখানে অবস্থান করছিলেন।
কমোডর নোয়েমি কায়াবিয়াব বলেন, ‘সংস্থাগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্তকরণের কাজ করছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শোক আমরা উপলব্ধি করতে পারছি।’
কোস্টগার্ড জানায়, বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ফেরির পণ্য রাখার স্থান (কার্গো হোল্ড) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এছাড়া অনেক যাত্রীর গায়ে লাইফ জ্যাকেট ছিল না।
২০০২ সালে তৈরি এ নৌযানটির নিরাপত্তা সনদ ছিল এবং গত মার্চে এটি নিয়মিত পরিদর্শনও পার করেছিল। তবে যাত্রী তালিকার অসঙ্গতি, পণ্য পরিবহনের নিয়মাবলি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ক্রুদের তৎপরতা যথাযথ ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে দেশটির সমুদ্র পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
ফেরিটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আতিয়েনজা ইন্টারআইল্যান্ড ফেরিজ তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘নিখোঁজ প্রত্যেকের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমাদের পূর্ণ সমবেদনা রয়েছে।’





 in front of a market chart and US dollar-320x167.webp)