ক্রেমলিনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক নির্ধারিত নেই বলে জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী এই গোপন সফরের পেছনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। অনেকের মতে একটি কারণ হতে পারে, রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার থমকে থাকা শান্তি আলোচনা ফের সচল করা বা পর্দার অন্তরালে এ বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানো।
কেউ কেউ রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আটক বন্দিদের মুক্তি বা নতুন কোনো বন্দি বিনিময় চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার বিষটিও সামনে এনেছেন। এর আগেও সিআইএ দু'দেশের বন্দি মুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছে।এর আগে সম্প্রতি মস্কো সফরে যান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। দু'দেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা ও ঘাটতি দূর করার লক্ষ্যে গঠিত রাশিয়া-ভারত আন্তসরকার কমিশনের বৈঠকে যোগ দিতে তিনি দেশটিতে সফর করেন।





