সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক, ঢাকায় সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান আলবার্তো জিওভানেত্তি এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মো. রাকিব-উজ-জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল আহতাব জামিল মাহিন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে, যা মূলত জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রকৃত ভিত্তি স্বচ্ছতার মধ্যেই নিহিত।
সততা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোর সঙ্গে সরকার যৌথভাবে কাজ করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম কাঙ্ক্ষিত সমাজ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দিতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তরুণেরা শুধু প্রত্যাশিত ভবিষ্যতের জন্য নয়, বর্তমান সময়েও সঠিক বিচার-বিবেচনা, দায়িত্ববোধ ও দৃঢ় প্রত্যয়ের পরিচয় দিতে সক্ষম। তারা যেমন নিজেদের সংগঠিত করতে পারে, তেমনি দায়িত্বশীল পদধারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে পারে।
সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন। চার দিনব্যাপী সম্মেলনে লিঙ্গবৈষম্য, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, মানবাধিকার, মানবপাচার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক চুক্তি, অভিবাসন নীতি, ভূরাজনীতি ও কূটনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন শিক্ষার্থীরা।





