গতকাল (শুক্রবার, ২১ আগস্ট) বিচারপতি ম্যাথিউ নিকলিন লিখিত আদেশে এ নির্দেশ দেন। দীর্ঘ ১১ সপ্তাহের বিচারপ্রক্রিয়া শেষে গত মাসে আদালত ৯৭টি অভিযোগের সপক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব দেখে মামলাটি খারিজ করে দেন। বিচারক মন্তব্য করেন, অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি ছিল না এবং বাদীপক্ষের আচরণ অত্যন্ত অযৌক্তিক ছিল।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলা পরিচালনায় আইনি খরচ বাবদ অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপারসের ৩ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ডের বেশি ব্যয় হয়েছে। সংস্থাটি চাইলে বাকি অর্থ আদায়ের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চালাতে পারবে। সে ক্ষেত্রে প্রিন্স হ্যারিসহ অন্য বিবাদীদের আরও আড়াই কোটি পাউন্ড পর্যন্ত অতিরিক্ত খেসারত দিতে হতে পারে।
প্রিন্স হ্যারি ও এলটন জন ছাড়াও অন্য বাদীদলের মধ্যে ছিলেন বর্ণবাদবিরোধী কর্মী ডরিন লরেন্স, চলচ্চিত্র প্রযোজক ডেভিড ফার্নিশ, অভিনেতা সিডি ফ্রস্ট ও লিজ হার্লি এবং রাজনীতিক সাইমন হিউজ। তবে ডরিন লরেন্সের খরচ দলের অন্যরা বহন করবেন বলে জানা গেছে। রায়ের বিষয়ে এখনো কোনো আপিল আবেদন করা হয়নি; তবে আগামী ২ অক্টোবরের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়ে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের সপরিবার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার খবরের দুই দিনের মাথায় এ রায় এলো। ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোর বিরুদ্ধে ফোন হ্যাকিং ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে প্রিন্স হ্যারির দায়ের করা তিনটি বড় আইনি লড়াইয়ের একটি এই রায়ের মাধ্যমে শেষ হলো। এর আগে ২০২৩ সালে ডেইলি মিরর এবং গত বছর দ্য সান-এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন হ্যারি।





