রাষ্ট্রদূত হওয়ার আগে উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা স্তেফানিশিনা দুটি অ্যাপার্টমেন্টসহ মোট প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার ডলার সমমূল্যের সম্পদ গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন সরকারি কৌঁসুলিরা। তাদের দাবি, শুধু সরকারি বেতনে এই পরিমাণ সম্পদ অর্জন করা সম্ভব ছিল না।
ইউক্রেনীয় আইন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ সরাসরি নাম উল্লেখ করেনি। তবে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি যে পদে ছিলেন, সেই সময়কালেই অভিযুক্ত অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্তেফানিশিনা। তিনি লেখেন, 'আমার কখনো লুকানোর মতো কিছু ছিল না।'
রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এই সপ্তাহে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাকে বরখাস্ত করেন। এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো, যখন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার রদবদলে ইউক্রেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা বিরাজ করছে।





